Apps

Picture

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা

Picture

ফরিদপুর ট্রাফিক পুলিশের জনবলঃ

অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী ফরিদপুর ট্রাফিক বিভাগের মোট জনবলঃ টিআই=০৬ জন, সার্জেন্ট=০৭ , টিএসআই= ০৩জন, এটিএসআই=০৭ জন, কনস্টেবল=৩০ জন।

বর্তমান মোট কর্মরত জনবলঃ

টিআই= ০৮ জন। সার্জেন্ট=১২ জন। টিএসআই=০৫ জন। এটিএসআই=০৭ জন, কনস্টেবল=৩৫ জন। সর্বমোট=৬৭ জন।

 

সদর ট্রাফিকঃ টিআই= ০৩ জন + সার্জেন্ট= ০৮ জন + টিএসআই= ০৩ জন + এটিএসআই= ০৫ জন + কনস্টেবল= ২৫ জন= মোট = ৪৪ জন।

ভাংগা ট্রাফিকঃ টিআই= ০৫ জন + সার্জেন্ট= ০৪ জন + টিএসআই= ০২ জন + এটিএসআই= ০২ জন + কনস্টেবল= ১০ জন= মোট = ২৩ জন।

                                                                                                                                        সর্বমোট = ৬৭ জন।

 

 

 

দৈনন্দিন ট্রাফিক কার্যক্রমঃ

১। যানযট নিয়ন্ত্রনে বিভিন্ন পোস্টে পালাক্রমে ট্রাফিক ডিউটি করন।

২। বিভিন্ন প্রকারের যানবাহনের উপর কাগজপত্র চেকিং করন। 

৩। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর অধীনে বিভিন্ন প্রকার যানবাহনের মামলা প্রোয়গ।

৪। সড়ক পরিবহন আইন ও সড়কের শ্রিঙ্খলা রোধে স্কুল-কলেজ এর ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতনতা প্রোগ্রাম করা।

৫। চালক-হেলপাড়দের গাড়ী চালানো সম্পর্কে ও সড়ক পরিবহন আইন সম্পর্কে কর্মশালা প্রদান।

৬। মালিক ও শ্রমীক ইউনিয়নের নেতাদের সমন্নয় সাধন করে সড়ক পরিবহন আইন সম্পর্কে অবহিত করা।

৭। প্রতিদিন রোলকলের মাধ্যমে অফিসার-ফোর্সদের যানযট নিরশন কল্পে মতামত গ্রহন করা।

৮। কনস্টেবল ও সার্জেন্টরা দিনে আট ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করেন এবং ইন্সপেক্টর ১৫ থেকে ১৮ ঘণ্টা কাজ করেন।

 

করোনা মোকাবেলায় ট্রাফিক পুলিশের সচেতনতামূলক কার্যক্রমঃ

১। করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে বাংলাদেশ পুলিশের সকল ইউনিট সম্মিলিতভাবে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় ফরিদপুর ট্রাফিক বিভাগের অফিসার ও ফোর্স ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট পরিচালনা করে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কোন যানবাহন শহরের মধ্যে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

২। এছাড়াও ফরিদপুর এলাকাসহ অন্যান্য এলাকায় পণ্যবাহী যানবাহনসহ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যানবাহন, ড্রাইভার, হেলপারদের বাধ্যতামূলকভাবে জীবাণুনাশক পদার্থ দ্বারা পরিস্কার করে গন্তব্য যেতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক পয়েন্টে করোনা ভাইরাস সংক্রমনরোধ সংক্রান্ত ব্যানার, ফেস্টুন জনসাধারণের মাঝে বিতরণ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

 

 

ট্রাফিক পদ্ধতি নির্দেশনাঃ

ট্রাফিক পদ্ধতি নির্দেশনা বলতে ট্রাফিক চলার একটি নির্দিষ্ট নিয়ম-নীতিকে বোঝায় যা অনুসারে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের সকল যানবাহন চলাচল করে। সাধারণত দুই ধরনের ট্রাফিক পদ্ধতি লক্ষ করা যায়। একটি হল ডানদিকগামী এবং অপরটি বামদিকগামী। এটা অত্যাবশ্যকীয় যে যানবাহনগুলো ট্রাফিক চলার নিয়ম-নীতিগুলো মেনে চলে।

 

ট্রাফিক নির্দেশনাঃ

চালকের যোগ্যতা

২০ বছরের নিচে কোনো ব্যক্তি চালকের আসনে বসতে পারবে না। লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চালানো একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স ছাড়া কোনো মোটরযান অথবা যাত্রীবাহী মোটরযান চালালে বা অন্যকে চালনা করতে দিলে কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে। চালকের পাশাপাশি সহকারী চালকের জন্যও লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। আইন অনুসারে এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই অভিযুক্ত চালককে গ্রেপ্তার করতে পারেন।

গাড়ির শ্রমিক

গাড়ির কন্ডাক্টর হতে হলে ১৮ বছর এবং কন্ডাক্টরের লাইসেন্স থাকতে হবে। পঙ্গু বা রোগাক্রান্ত কেউ কন্ডাক্টর হিসেবে গাড়িতে কাজ করতে পারবে না।

নির্ধারিত গতি

দ্রুতগতিতে কোনো মোটরযান চালালে অভিযুক্ত ব্যক্তি কারাদণ্ড অথবা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। এছাড়াও অনধিক এক মাস মেয়াদের জন্য লাইসেন্স বাতিল করা হতে পারে।

রাস্তার বিপজ্জনক অবস্থায় যেমন- ঢালু জায়গায় গাড়ি না থামাতে ড্রাইভারদের ওপর দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে। গাড়ির চালক বা কন্ডাক্টর চলন্ত গাড়িতে কিংবা বাম্পার বা ছাদে কিংবা ভেতর ব্যতীত অন্য কোনো স্থানে কোনো ব্যক্তিকে আরোহণ করতে দিতে পারবেন না এবং অনুমোদিত সংখ্যার চেয়ে বেশি যাত্রী নিতে পারবেন না।

বাম দিকে চলবে গাড়ি

আইন অনুযায়ী গাড়ির চালক যতখানি সম্ভব রাস্তার বামদিকে নির্ধারিত লেনে গাড়ি চালাবেন এবং বিপরীত দিক থেকে আসা সব যানবাহনকে ডান দিক দিয়ে যেতে দেবেন। চালক যদি কোনো মিছিল কিংবা একদল সৈন্য বা ওই রাস্তায় কার্মরত পুলিশের সম্মুখীন হন কিংবা রাস্তা মেরামতে নিয়োজিত শ্রমিকদের পাশ দিয়ে যান তাহলে গাড়ির গতি ঘণ্টায় ১৫ মাইলের বেশি করা যাবে না।

চালক এমনভাবে গাড়ি চালাবেন, যাতে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। দুটি গাড়ি অতিক্রম করার সময় পরস্পরের গায়ে যেন না লাগে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে । স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল এলাকা দিয়ে গাড়ি যাওয়ার সময় চালককে সব দিকে নজর রাখতে হবে এবং নির্দিষ্ট গতিসীমার চেয়ে বেশি গতিসীমায় গাড়ি চালানো যাবে না।

এ ছাড়া যেসব মোটরযান সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে চালানো যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো হচ্ছে-

১. নিবন্ধনপত্রে মালামাল বা যাত্রী বোঝাইবিহীন অবস্থায় যে ওজন নির্ধারিত হয়েছে তার চেয়ে অধিক ওজনসম্পন্ন গাড়ি।
২. নিবন্ধনপত্র অনুযায়ী যে ওজন নির্ধারিত হয়েছে তার চেয়ে অধিক ওজনসম্পন্ন গাড়ি।
৩. নিবন্ধনপত্রে এক্সেলের যে সর্বোচ্চ ওজন নির্ধারিত হয়েছে তার চেয়ে অধিক এক্সেল ওজনসম্পন্ন গাড়ি।

যত্রতত্র গাড়ি থামানো

যেখানে সেখানে গাড়ি থামানো যাবে না বা যাত্রী ওঠানামা করানো যাবে না। নির্দিষ্ট এলাকা ছাড়া গাড়ি দাঁড় করালে জরিমানা এবং নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া অন্য স্থান থেকে যাত্রী উঠালে জরিমানা দিতে হবে। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে  এবং সময়সীমা প্রদর্শন না করে গাড়ি চালালে জরিমানা দিতে হবে।

চালককে বাধ্যতামূলক ট্রাফিক সংকেত মেনে চলতে হবে। ট্রাফিক পুলিশ চাইলে গাড়ির কাগজপত্র দেখাতে চালক বাধ্য থাকবেন। রাস্তায় পথচারী পারাপারের জন্য নির্ধারিত সীমানার ওপর দিয়ে পথচারী পারাপারের সময় চালককে নির্দিষ্ট লাইন বরাবর অবশ্যই গাড়ি থামাতে হবে। গাড়ির চালককে গাড়ি ডান কিংবা বাম দিকে ফেরাতে বা থামাতে হলে সংশ্লিষ্ট গাড়ির সঙ্গে সংযুক্ত নির

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো যাবে না
মদপান করে গাড়ি চালানো যাবে না। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালালে কারাদণ্ড অথবা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন

আরো কিছু বিধিনিষেধ

গাড়ির নিবন্ধন, ফিটনেস অথবা রুট পারমিট ছাড়া গাড়ি ব্যবহার করলে কারাদণ্ড অথবা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন মালিক বা চালক।  যেখানে ওভারটেকিং নিষিদ্ধ সেখানে ওভারটেক করলে চালককে জরিমানা দিতে হবে।

 
Copyright © 2021 Superintendent of police, Faridpur. Developed by Momtaj Trading(Pvt.) Ltd.